
অভয়নগর প্রতিনিধিঃ
যশোরের অভয়নগরে শিশু কিশোরী সুমাইয়া(১০) ধর্ষণকান্ড মধ্যেযুগী বর্বরতাকেও হার মানিয়েছে। ধর্ষণের শিকার হওয়া সুমাইয়া খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন। স্থানীয়ভাবে জানা গেছে, ১৪ মার্চ শনিবার ভোর রাতে চাচাতো ভাই আবিরের পাশবিক ধর্ষণের এবং নির্যাতনের শিকার হয়। স্থানীয় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নারী জানান, সুমাইয়ার পিতা জেলখানায় থাকায় সুমাইয়ার মা মিলে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন, একা সুমাইয়া ঘরে ঘুমিয়ে ছিলো। সুমাইয়াকে একা পেয়ে তার চাচাতো ভাই আবির মেয়েটিকে ধর্ষণ করে। পরে আবির ও তার মা শারমিন বেগম ঘটনা ধামাচাপা দিতে সুমাইয়াকে মেরে বাথরুমের ট্যান্কির মধ্য ফেলে দেয়। তারা ভেবেছিলো সুমাইয়া মারা গেছে পরে সুমাইয়া বাথরুম ট্যাংকি থেকে কোন কায়দায় উঠে প্রাণ বাঁচাতে পার্শবর্তী একজনের বাড়িতে গিয়ে পড়ে যায়। সুমাইয়ার চিৎকারে ওই বাড়ির লোকজন উঠে দেখে সুমাইয়ার সারা শরীরে ময়লা ও পরনে কোন কাপড় নেই। ঘটনা জানাজানি হলে স্থানীয়রা আবিরকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করেছে। এবিষয়ে স্থানীয়রা বর্বর এই ঘটনার কঠোর শাস্তি চেয়েছেন। ধর্ষনের শিকার হওয়া সুমাইয়া উপজেলার নওয়াপাড়া পৌর ২ নং ওয়ার্ডের আমডাঙ্গা গ্রামের আজাদ বিশ্বাসের মেয়ে। ধর্ষক আবির একই গ্রামের আলী বিশ্বাসের ছেলে।
এ বিষয়ে ধর্ষক আবিরের মা শারমিন বেগম বলেন, এবিষয়ে আমি কিছুই জানিনা। আবিরের পিতা আলী বিশ্বাস বলেন, আমার ছেলে যে অপরাধ করেছে আইনানুযায়ী যা বিচার হয় আমি তাই চাই। অভয়নগর থানার ওসি তদন্ত জাহিদুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি তদন্ত চলছে আসামিকে তাৎক্ষনিক হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। মেয়েটির মা মেয়েটিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেছে, পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।